বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ
নজিপুরে নিরাপদ সড়কের দাবিতে ‘নিসচা’র মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত চাটখিলে পিকআপ ভ্যান চাপায় এক নারীর মৃত্যু কাজী নাজমুল হোসেন তাপস কি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করবেন? নওগাঁয় বিচার বিভাগ ও জেলা পুলিশের বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গোয়াইনঘাটে ধানের শীষের পক্ষে ঘরে ঘরে গণসংযোগ নাসিরনগরে মোবাইল কোর্টের অভিযান : চেয়ারম্যান, মেম্বারের সিলমোহর উদ্ধার, একজনকে জরিমানা নওগাঁয় ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল মা ও মেয়ের বাসর রাতে মুখ ধোয়ার পর ‘বদলে গেল’ কনে, অতঃপর… মান্দায় পৈত্রিক ভোগদখলীয় সম্পত্তি জবর দখলের অভিযোগ ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপি-জামায়াত সমর্থকদের সংঘর্ষ, তিনজন আহত ধর্মপাশায় ইসলামী আন্দোলনের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন, পুড়ে ছাই পাঁচ শতাধিক ঘর বাউফল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক হলেন তসলিম তালুকদার লালমনিরহাটে ডিবি অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার ডিউক অব এডিনবার্গের গোল্ড অ্যাওয়ার্ড পেলেন চবি’র পাঁচ শিক্ষার্থী কলাপাড়ায় এক রাতে তিন বাড়িতে নগদ টাকাসহ স্বর্ণালংকার লুট চাঁপাইনবাবগঞ্জ কারাগারের ১০৬ বন্দির ভোট দেওয়ার আবেদন আমরা কোনো রাজনীতিক দলের তাঁবেদার নই আমরা একমাত্র আল্লাহ তাঁবেদার : ছারছিনা পীর জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে পবিপ্রবিতে দোয়া ও আলোচনা সভা খুলনায় যৌথ বাহিনীর অভিযান : বিদেশি অস্ত্র ও মাদকসহ দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী আটক

স্কুল মাঠেই থমকে গেছে গয়া কাকার জীবন: চটপটি বিক্রির গাড়ি অচল, সহানুভূতির হাত বাড়ানোর অপেক্ষায়

মোঃ ফাহিম সরকার, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের বিরামপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের গেট ও মাঠসংলগ্ন এলাকায় প্রায় তিন যুগ ধরে একটি ছোট ভ্যানে চটপটি ও মাখা বিক্রি করে আসছিলেন ষাটোর্ধ্ব গয়া কাকা। তাঁর হাতে বানানো চটপটির স্বাদ আজও বহু প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীর স্মৃতিতে অমলিন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আজ সেই গয়া কাকার জীবন যেন থমকে গেছে—ঠিক তাঁর অচল হয়ে পড়া চটপটির গাড়িটির মতোই।

দীর্ঘদিনের ব্যবহারে গয়া কাকার চটপটি বিক্রির ভ্যানটির বডি ও চাকা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। সামনের চাকা রিং ও সুতার সাহায্যে কোনো রকমে বেঁধে চালানো হচ্ছিল, যা তাঁর সংগ্রামী জীবনেরই প্রতিচ্ছবি। বর্তমানে গাড়িটি একেবারেই অচল। মেরামত করতে প্রয়োজন প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা, যা জোগাড় করা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়।

গয়া কাকা বলেন, “গাড়িটা ঠিক হলে আবার নিজের মতো করে কাজ করতে পারতাম। ছেলে আর আমার আয়ে পরিবারের সবাইকে নিয়ে একটু ভালোভাবে খেতে পারতাম।”

বর্তমানে তিনি ছেলের ভ্যানে করে কোনোমতে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। পাঁচ সদস্যের পরিবারের জন্য দৈনিক ২৫০ থেকে ৩০০ টাকার আয় নিতান্তই অপ্রতুল। সংসারের দায়িত্ব কাঁধে নিতে গিয়ে বড় ছেলের পড়াশোনাও বন্ধ হয়ে গেছে।

এদিকে বিদ্যালয়ের কিছু মানবিক শিক্ষার্থী ইতোমধ্যে গয়া কাকার পাশে দাঁড়িয়েছে। তবে তাঁর স্বাভাবিক জীবনে ফেরার জন্য এখনও বড় পরিসরের সহায়তা প্রয়োজন।

গয়া কাকার মতো একজন আত্মসম্মানী ও পরিশ্রমী মানুষের পাশে দাঁড়ানো সমাজের সচেতন মহল ও বিত্তবানদের মানবিক দায়িত্ব। সামান্য সহায়তায় একটি ভ্যান যেমন আবার চলতে পারে, তেমনি নতুন করে এগিয়ে যেতে পারে গয়া কাকার জীবনও—যেন অভাবের চাপে আর থেমে না যায় তাঁর দীর্ঘ সংগ্রামের পথচলা।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

2025 © জনপদ সংবাদ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

প্রয়োজনে যোগাযোগঃ ০১৭১২-০৬৮৯৫৩